বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪

চট্টগ্রাম আবাহনীর দ্বিতীয় 'ঝড়ের' শিকার মোহামেডান

ক্রীড়া প্রতিবেদক

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৪:১৮ অপরাহ্ন

চট্টগ্রাম আবাহনীর দ্বিতীয় 'ঝড়ের' শিকার মোহামেডান

মোহামেডানকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয়ের পর চট্টগ্রাম আবাহনীর কর্মকর্তা-খেলোয়াড়গণ

চট্টগ্রাম প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের গত দু আসরের চ্যাম্পিয়ন চট্টগ্রাম আবাহনীর দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। দ্বিতীয় রাউন্ডের প্রথম খেলায় চট্টগ্রাম আবাহনী ৫ উইকেটে মোহামেডানকে হারিয়ে নিজেদের দ্বিতীয় জয় তুলে নেয়। মোহামেডানের করা ১৫৭ রানের টার্গেট তারা পাড়ি জমায় ৩২.৩ ওভারে, তবে দ্রুত জয় তুলে রান রেট বাড়াতে গিয়ে তারা হারিয়ে ফেলেছিল ৫ উইকেট।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে চট্টগ্রাম আবাহনীর দু'ওপেনার তাজুল ইসলাম ও সাইদুল ইসলাম সানজু চার-ছয়ের ফুলঝুরি ছড়িয়ে মাত্র ১০ ওভারেই ৬০ রানের জুটি গড়েন। 

এরমধ্যে বলের সাথে পাল্লা দিয়ে ৫৫ বলে পাঁচ চার আর তিন ছয়ে বরাবর ৫০ রান করে আউট হয়ে যান তাজুল ইসলাম। দলীয় ৭৯ রানে প্রথম উইকেট হারানো চট্টগ্রাম আবাহনী ৮১ রানে হারিয়ে ফেলে অপর ওপেনার সানজুকেও। আউট হওয়ার আগে তিনি করেন ২৯ রান। 

এরপর, তিন ও চারে নামা মহিউদ্দিন ও শোয়েব দু'জনই আউট হয়ে যান ১৪ রান করে। আবাহনীকে আর কোন উইকেট হারাতে দেননি হান্নান ও অধিনায়ক জীবন। তারা যখন দলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে তখন হান্নান অপরাজিত ছিলেন ৩৩ রানে। জীবন অপরাজিত ছিলেন ১৪ রানে।

মোহামেডানের হয়ে ইফরান ৩টি ও কিং নেন ২টি উইকেট।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত প্রিমিয়ারের ৭ নম্বর ম্যাচে টসে জিতে ব্যাট করতে নামে মোহামেডান। তাদের দু'ওপেনার জিসান ও ইশতিয়াক পাওয়ার প্লের প্রথম ১০ ওভারে অবিচ্ছিন্ন থেকে চট্টগ্রাম আবাহনীর বোলারদের অপেক্ষায় রাখেন। 

তবে, আবাহনীর অলরাউন্ডার শোয়েব আক্রমণে এসেই তুলে নেন জিসানকে (৩৬ বলে ১৯ রান)। এরপর মোহামেডান নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারালেও একপ্রান্তে সাবলীলভাবে খেলে যাচ্ছিলেন তানভির সাদাত কিং। 

৬২ বলে ৪১ রান করে কিং যখন আউট হন ততক্ষণে মোহামেডান ১১১ রানে হারিয়ে ফেলে ৫ উইকেট। আউট হওয়া ব্যাটারদের মধ্যে ইশতিয়াক ৩৫ বলে ১৫, সাব্বির ৩১ বলে ১৯ রান করেন।

দ্রুত উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া মোহামেডানের ইনিংস মেরামতের দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নেন অধিনায়ক আরমান উল্লাহ্। কিন্তু মোহামেডানের বাকি ব্যাটাররা আরমানকে বেশিক্ষণ সঙ্গ দিতে পারেনি। ফলে মোহামেডানের ইনিংস ৪৭.৫ ওভারে থেমে যায় ১৫৭ রানে। আরমান অপরাজিত থাকেন ২৬ রানে।

চট্টগ্রাম আবাহনীর হয়ে বল হাতে ১৬ রানে ৪ উইকেট তুলে নেন তাইবুর পারভেজ। এছাড়া, শোয়েব নেন ২ উইকেট। পাশাপাশি হাসনাত, হান্নান, তাজুল প্রত্যেকে নেন ১ উইকেট করে। 


সর্বশেষ

উপরে নিয়ে চলুন