শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪

চট্টগ্রাম প্রিমিয়ারে দাপট দেখিয়ে চতুর্থ জয় তুলে নিল মুক্তিযোদ্ধা কেসি

ক্রীড়া প্রতিবেদক

২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৭:৪৩ অপরাহ্ন

চট্টগ্রাম প্রিমিয়ারে দাপট দেখিয়ে চতুর্থ জয় তুলে নিল মুক্তিযোদ্ধা কেসি

জয়ের পর মুক্তিযোদ্ধা কেসির ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আকতার পারভেজের সাথে খেলোয়াড়-কর্মকর্তারা

ফেন্ডস ক্লাবকে হারিয়ে চট্টগ্রাম প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগে শুভসূচনা করা মুক্তিযোদ্ধা ক্রীড়া চক্র দাপুটে জয় পেয়েছিল টানা দ্বিতীয় ম্যাচেও। তৃতীয় ম্যাচে এসে চট্টগ্রাম আবাহনীর কাছে হোঁচট খেলেও দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়ায় পিএইচপি ফ্যামিলির সংস্পর্ষে বদলে যাওয়া মুক্তিযোদ্ধা। আবারও তুলে নিল টানা দ্বিতীয় জয়।

লিগের পঞ্চম রাউন্ডের শেষ ম্যাচে মুক্তিযোদ্ধা ক্রীড়া চক্র লালের কাছে ৬ উইকেটে হেরে যায় রাইজিং স্টার জুনিয়র।

মঙ্গলবার (২১ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে ৪৭.১ ওভারে ১৬১ রানে অলআউট হয়ে যায় রাইজিং জুনিয়র। জবাবে জাকারিয়া মাসুদ ও জাওয়াদ রোয়েনের ফিফটিতে ৩৩.৫ ওভারে মাত্র ৪ উইকেট হারিয়ে অনায়াস জয় তুলে নেয় মুক্তিযোদ্ধা। 

মুক্তিযোদ্ধার হয়ে চারে নামা প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটার জাকারিয়া মাসুদ কার্যকরী ইনিংস খেলে দলকে জয়ের পথে রাখেন। তিনি ৭৭ বলে অর্ধডজন চারের সাহায্যে ৫৫ রানে অপরাজিত থাকেন। 

তবে মুক্তিযোদ্ধাকে দ্রুত জয় এনে দেয়া ব্যাটিং করেন দলনায়ক জাওয়াদ। তিনি ৫ চার ও ২ ছয়ে ৫৫ বলে ৫৩ রানে অপরাজিত থাকেন। এছাড়া, জসীমউদ্দিন ১৬ ও শামসুদ্দিন বাপ্পা ১৫ রান করেন। 

রাইজিং জুনিয়রের হয়ে শরীফুল নেন ২ উইকেট।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে মুক্তিযোদ্ধার রাশেদুল বারীর জোড়া আঘাতে ১৯ রানেই ২ উইকেট হারিয়ে ফেলে রাইজিং জুনিয়র।

ওপেনার সাইফুল ও তাসামুল কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তুললেও মুক্তিযোদ্ধার স্পিনারের সামনে বড় জুটি করতে পারেনি রাইজিং। 

দলের হয়ে ৮ নম্বরে নামা রকিব করেন সর্বোচ্চ ৩৮ রান। এছাড়া, সাইফুল ৩১, হৃদয় ২০, তাসামুল ১৮, শরীফুল ১৬ এবং কামরুল ১১ রান করেন।

মুরসালিন মুরাদ ও বাপ্পা উইকেট শিকারে নেতৃত্ব দেন। মুরাদের ৩ উইকেটের পাশে বাপ্পা নেন ২ উইকেট। শুভ ৬ ওভার বল করে ৬ রান দিয়ে নেন ১ উইকেট।

দাপুটে জয়ের পর মুক্তিযোদ্ধা ক্রীড়া চক্রের ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান পিএইচপি অটোমোবাইলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আক্তার পারভেজ দেশ স্পোর্টসকে জানান, 'ক্রীড়াঙ্গনে পিএইচপি পরিবারের সম্পৃক্ততা সবসময় ছিল। চট্টগ্রামের ক্রিকেট উন্নয়নে পাশে থাকার জন্য এবার আমরা মুক্তিযোদ্ধা কেসি ক্রিকেট দলকে পৃষ্ঠপোষকতা করছি। যদিও শেষ মুহূর্তে দলের সাথে সম্পৃক্ত হওয়ায় বেশি ভালো দল গঠন করতে পারিনি। তবে ভবিষ্যতেও আমাদের প্রচেষ্টা সবসময় অব্যাহত থাকবে।'

পরিবারের পরবর্তী প্রজন্মের সবাইকে নিয়ে এসে প্রতিটি ম্যাচে সাধারণ গ্যালারিতে বসে সারাদিন দলকে উৎসাহ দেওয়া দেখে বোঝা যায় কতটা ক্রীড়া অন্তপ্রাণ এই তরুন সফল ব্যবসায়ী।

 


সর্বশেষ

উপরে নিয়ে চলুন