মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২২

নাঈম ইসলামের সেঞ্চুরিতে রান চাপায় পড়ছে চট্টগ্রাম

এক দিনে পাঁচ সেঞ্চুরি

ক্রীড়া প্রতিবেদক

০৮ নভেম্বর ২০২২, ০৯:৫৮ অপরাহ্ন

নাঈম ইসলামের সেঞ্চুরিতে রান চাপায় পড়ছে চট্টগ্রাম

জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) ২৪ তম আসরের শুরু থেকেই ছিল বোলারদের রাজত্ব। প্রথমবারের মতো ডিউক বলে খেলা হওয়ায় গতির সামনে ব্যাটসম্যানরা ছিলেন অসহায়। তবে ধীরে ধীরে বোলারদের দাপট কমতে শুরু করছে। পঞ্চম রাউন্ডের দ্বিতীয় দিন চট্টগ্রামের বিরুদ্ধে নাঈম ইসলামসহ একদিনে পাঁচজন ব্যাটসম্যান হাঁকিয়েছেন শতক। এছাড়া সিলেট একাডেমি মাঠে সিলেটের বিপক্ষে জোড়া সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন ঢাকা বিভাগের আব্দুল মজিদ ও শুভাগত হোম চৌধুরী। ঢাকা মেট্রোর হয়ে রাজশাহীর বিপক্ষে শতকের দেখা পেয়েছেন নাঈম শেখ ও শরিফুল্লাহ। 

বিকেএসপির চার নম্বর গ্রাউন্ডে চট্টগ্রাম প্রথম ইনিংসে অলআউট হয়েছিল মাত্র ১০০ রানে। জবাবে রংপুর  নাঈম ইসলামের ব্যাটে চড়ে চট্টগ্রামকে ২৬৩ রানের বিশাল লিড দিয়ে দ্বিতীয় দিন শেষ করেছে। দিন শেষে রংপুরের স্কোর ৭ উইকেটে ৩৬৩ রান। নাঈম ইসলাম ১৩১ ও রবিউল হক ২৮ রানে অপরাজিত আছেন।

এর আগে ব্যাটিং করতে নেমে মাত্র ১০০ রানে অলআউট হয় চট্টগ্রাম। সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন পারভেজ হোসেন ইমন। রংপুরের হয়ে একাই ৫ উইকেট নিয়েছেন রবিউল হক।

অন্যদিকে, ৩৭ রানে দিন শুরু করে ঢাকা ৪৫৭ রানে অলআউট হয়েছে। আবদুল মজিদ সর্বোচ্চ ১৭৬ ও শুভাগত হোম ১৪৫ রান করেন। সিলেটের সামনে ৪৯৪ রানের পাহাড় সমান লিড। সিলেটের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন মহিউদ্দিন তারেক।

অথচ প্রথম দিন ঢাকার শুরুটা ছিল বাজে। আগে ব্যাটিং করতে নেমে মাত্র ১১৩ রানে অলআউট হয় তারা। সর্বোচ্চ ৪১ রান করেন মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। এনামুল হক জুনিয়র একাই নেই ৫ উইকেট।

জবাবে খেলতে নেমে আরও বাজে অবস্থায় পড়ে সিলেট। মাত্র ৭৬ রানে সবকটি উইকেট হারায় তারা। সর্বোচ্চ ২০ রান করেন আল আমিন জুনিয়র। ঢাকার হয়ে ফাইফার নেন সালাউদ্দিন শাকিল ও ৪ উইকেট নেন সুমন খান।

রাজশাহীর বিপক্ষে ১০ রানে দিন শুরু করে দুই সেঞ্চুরিতে ৭ উইকেটে ৩৬৭ রান করেছে ঢাকা মেট্রো। ২৫১ রানের জবাবে খেলতে নেমে এই রান করে তারা। লিড ১১৫ রানের। ৭৮ রানে অপরাজিত আছেন আমিনুল ইসলাম। মোহাম্মদ নাঈম শেখ সর্বোচ্চ ১১২ ও শরিফুল্লাহ ১০০ রান করেন। রাজশাহীর হয়ে ৪ উইকেট নেন নাহিদ রানা।

এর আগে গতকাল ২৫২ রানে অলআউট হয় রাজশাহী। ১৩৭ বলে সর্বোচ্চ ১০১ রান করেন তানজীদ হাসান তামিম। জহুরুল ইসলাম ৪৫, মুশফিকুর রহিম ৪৩ ও সানজামুল ইসলাম ৪০ রান করেন। ঢাকা মেট্রোর হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন রাকিবুল হাসান। ৩টি করে উইকেট নেন আবু হায়দার রনি ও শরিফুল্লাহ।

ব্যতিক্রম ছিল খুলনা-বরিশালের ম্যাচে। শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে আগে ব্যাটিং করে তিন’শ-এর বেশি রান হলেও কোনো সেঞ্চুরি হয়নি। ৭ উইকেটে ২৬৪ রানে দিন শুরু করে তারা থামে ৩১৫ রানে। সর্বোচ্চ ৪৫ রান করেন হাসানুজ্জামান। এ ছাড়া নাহিদুল ইসলাম ৪১, জাওয়াদ রোয়েন ৪০ ও মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী ৪৩ রান করেন। বরিশালের হয়ে ৩টি করে উইকেট নেন কামরুল ইসলাম রাব্বী ও সোহাগ গাজী।

জবাবে খেলতে নেমে মাত্র ১৪৫ রানে অলআউট হয় বরিশাল। ৩টি করে উইকেট নেন আল আমীন হোসেইন ও আশিক জামান। ফলোঅনে পড়ে আবার ব্যাটিং করতে নেমে ৪৬ রান করতেই ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলে বরিশাল। ২ উইকেট নেন মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী। এখনো তারা পিছিয়ে আছে ১২৪ রানে।


সর্বশেষ

উপরে নিয়ে চলুন