শুক্রবার, ৭ অক্টোবর ২০২২

লিভারপুলের হাসির রাতে কপাল পুড়ল অ্যাটলেটিকো-স্পার্সের

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ

দেশ স্পোর্টস ডেস্ক

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন

লিভারপুলের হাসির রাতে কপাল পুড়ল অ্যাটলেটিকো-স্পার্সের

মোহামেদ সালাহর গোলে ম্যাচের ১৭ মিনিটেই এগিয়ে যায় লিভারপুল

এবারের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে লিভারপুলের যাত্রা শুরু করেছিল ন্যাপোলির কাছে হেরে। গতরাতে আয়াক্সের বিপক্ষেও পয়েন্ট খোয়ানোর শঙ্কা পেয়ে বসেছিল দলটিকে। তবে শেষ সময়ের গোলে ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছে কোচ ইউর্গেন ক্লপের শিষ্যরা। তবে লিভারপুলের ঠিক উল্টোটাই ঘটেছে টটেনহ্যাম হটস্পার্স আর অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের। শেষ সময়ে দুই গোল হজম করে হেরেছে দুই দলই।

নিজেদের মাঠ অ্যানফিল্ডে আয়াক্সের বিপক্ষে মোহামেদ সালাহর গোল ১৭ মিনিটেই এগিয়ে দিয়েছিল লিভারপুলকে। দলটা যেভাবে আক্রমণ শানাচ্ছিল, তাতে ধারণা করা হচ্ছিল জয়টা বুঝি সহজই হবে তাদের। 

তবে সফরকারীরা জবাব দেয় দশ মিনিট পরই। রক্ষণের মারাত্মক ভুলে বক্সে ফাঁকায় বল পেয়ে যান আয়াক্সের নতুন তারকা মোহামেদ কুদুস। বল পায়ে একটু কারিকুরি করে ফাঁকা জায়গাটা আরও বাড়িয়েছেন, এরপর আগুনে এক শটে গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকারকে পরাস্ত করেন তিনি।

বিরতির পর লিভারপুল জয়সূচক গোলের জন্য দারুণ চাপ সৃষ্টি করেছে আয়াক্সের ওপর। তবে গোলের দেখা মিলছিলই না! উল্টো আয়াক্স ফুলব্যাক ড্যালে ব্লিন্ড অবিশ্বাস্যভাবে মিস না করে বসলে ১-২ গোলে পিছিয়েই পড়তে হতো তাদের। শেষমেশ সেটা হয়নি, তাই অল রেডদের আশাও টিকে ছিল বেশ।

৮৩ মিনিটে সালাহর পাস থেকে ডারউইন নুনেজ লিভারপুলকে জেতানোর সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেন লক্ষ্যভ্রষ্ট এক শটে। তবে ৮৯ মিনিটে দুর্ভাগ্য আর সঙ্গী হয়নি লিভারপুলের। কস্তাস সিমিকাসের নেওয়া কর্নার থেকে জোয়েল মাতিপ করেন গোলটি। তাতেই ২-১ ব্যবধানের জয় নিয়ে লিভারপুল তুলে নেয় মৌসুমের প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়টি। 

তবে এর আগে লিভারপুলের মতো ভাগ্যটা সুপ্রসন্ন হয়নি আরেক ইংলিশ দল টটেনহ্যামের। শেষ সময়ের জোড়া গোলে কপাল পুড়েছে তাদের। নিষ্ফলা ৯০ মিনিট শেষে যখন ড্রকেই মনে হচ্ছিল ম্যাচের নিয়তি, তখনই গোল করে বসে স্পোর্টিং লিসবন। কর্নার থেকে ভেসে আসা বলে গোল করেন পাওলিনিও। তবে হারটা পুরোপুরি নিশ্চিত ছিল না, শেষ সময়ে স্পার্স গোল করলেও করে ফেলতে পারত। তবে এর মিনিট তিনেক পর সেই পাওলিনিওর বাড়ানো বলে গোল করেন আর্থুর, তাতে স্পার্সের হারটাও নিশ্চিত হয়ে যায়।

এর কিছুক্ষণ পর জার্মানিতে প্রায় একই ভাগ্য বরণ করতে অ্যাটলেটিকোকেও। ড্র নিয়ে ‘বি’ গ্রুপের দ্বিতীয় স্থানে বসার প্রস্তুতি যখন নিচ্ছে রোহিব্ল্যাঙ্কোরা, তখনই রবার্ট অ্যান্ড্রিখের গোলে সর্বনাশ হয় তাদের। এর মিনিট তিনেক পর মুসা দিয়াবির গোলে সফরকারীদের কফিনে শেষ পেরেকটা ঠুকে দেয় বেয়ার লেভারকুসেন।


সর্বশেষ

উপরে নিয়ে চলুন